সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরে অবস্থিত জাদুকাটা নদীতে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগমন করেন অগণিত পূর্ণার্থী। এটি দেশের সবচেয়ে বড় তীর্থস্থান।

ঢোল পূর্ণিমার ১৩ দিন পর বারুণী। চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে জাদুকাটা নদীর পবিত্র জলে স্নান করলে পুণ্য লাভ হয়।

১৪০০ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে মা নাভা দেবিকে। গঙ্গাস্নান করানোর জন্য যোগ সাধনা বলে পৃথিবীর সমস্ত তীর্থের জল জাদুকাটা নদীর প্রবহমান জলের ধারায় একত্রিত করেন আর মাতৃআজ্ঞা পূরণ করেছিলেন তখনকার লাউর রাজ্যের সাধক ও সিদ্ধপুরুষ অদ্বৈতচার্য। তার সাধনাসিদ্ধ ফল বারুনী যোগ নামে অভিহিত। চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতীসহ সাত পুণ্যনদীর প্রবাহ একসঙ্গে জাদুকাটায় (পুণ্যতীর্থে) এসে মিশে। সব তীর্থের সার তীর্থ এটি। এখানে স্নান করলে গঙ্গাস্নানের চেয়েও বেশি পুণ্য হয়।

কিভাবে যাবে পনতীর্থধামেঃ
দেশের যেকোন স্থান হতে সুনামগঞ্জ জেলা শহরে আসবেন। তারপর সেখান থেকে সিএনজি বা মোটরসাইকেল যোগে যেতে পারবেন আপনার গন্তব্যে।